t2s App-এ দায়িত্বশীল খেলা আর নিরাপদ নিয়ন্ত্রণ

ঢাকার রাত ১১টায় অনেকেই শুধু অ্যাকাউন্টটা দেখে নেন সেই মুহূর্তে t2s App-এ দায়িত্বশীল খেলার অভ্যাস থাকলে চাপ কমে, আর সিদ্ধান্তও পরিষ্কার থাকে

বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এখানে self-exclusion, session reminder আর spending tracker একসঙ্গে দেখা যায় bKash, Nagad আর Rocket ব্যবহার করা মানুষের জন্যও অভ্যাসটা সহজ থাকে

t2s APK ডাউনলোড করুন
t2s নিরাপদ খেলার হোম স্ক্রিন

বাংলাদেশে t2s-এ ব্যবহারকারীর ভরসা

4.5/5 গড় রেটিং
40,388টি রিভিউ
6.9M+ সক্রিয় ব্যবহারকারী
99.7% আপটাইম

এই সংখ্যাগুলো শুধু সাজানো নয় 2020 থেকে t2s ধীরে ধীরে বড় হয়েছে, আর 10 দেশের ব্যবহারকারীরা একই রকম নিয়ন্ত্রণ-ভিত্তিক অভ্যাস পছন্দ করছেন

শুরুর আগে 5টা ছোট প্রশ্ন

আজ আমি কত সময় দিতে চাই?

এক ঘণ্টা কি 15 মিনিট? শুরুতেই ঠিক করলে মাথা ঠান্ডা থাকে

আমি কি বিরতি নিতে পারব?

হাঁটার সময়, নামাজের সময়, বা কাজের ফাঁকে বিরতি রাখা যায়

হারলে কি অস্থির লাগবে?

যদি চাপ বাড়ে, তখনই থামা ভালো সেটা দুর্বলতা নয়

আমি কি সীমা মানব?

বাংলাদেশের অনেক ব্যবহারকারী আগে থেকেই দৈনিক সীমা ঠিক করেন

পরিবার জানলে কি সুবিধা হবে?

বিশ্বাসী কেউ পাশে থাকলে সিদ্ধান্ত অনেক সহজ হয়

এই 5টা প্রশ্নের উত্তর লিখে রাখুন তারপর নিচের টুলগুলো দেখলে নিজের অবস্থাটা আরও পরিষ্কার হবে

t2s App-এর নিরাপত্তা টুল

t2s সেশন রিমাইন্ডার বিজ্ঞপ্তি

সেশন রিমাইন্ডার

10 বা 30 মিনিট পরপর নোটিফিকেশন আসে এতে চোখ উঠিয়ে থামার সুযোগ মেলে, বিশেষ করে লোডশেডিং-ঘেঁষা সন্ধ্যায়

ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামের ব্যস্ত সময়েও এটা কাজের ছোট বিরতি নিলেই মাথা হালকা থাকে

t2s ব্যয়ের হিসাব স্ক্রিন

খরচ ট্র্যাকার

এক জায়গায় সীমা আর ব্যবহার দেখা যায় bKash বা Nagad দিয়ে অ্যাকাউন্ট দেখার সময় কতটা এগোলেন, সেটাও বোঝা যায়

সংখ্যা দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয় তাই আবেগে না গিয়ে পরিকল্পনায় থাকা যায়

t2s স্ব-বর্জন সেটিংস প্যানেল

স্ব-বর্জন

কিছু সময়ের জন্য নিজেকে বিরতি দিতে পারেন দরকার হলে 24 ঘণ্টা, 7 দিন, বা আরও বড় বিরতিও রাখা যায়

চাপ বেশি লাগলে এই অপশন খুব কাজের পরে আবার শান্ত মাথায় ফিরতে সুবিধা হয়

t2s সহায়তা টিম চ্যাট স্ক্রিন

সাপোর্ট

কিছু বুঝতে না পারলে সহায়তা টিমের সঙ্গে কথা বলুন অপারেটররা সীমা, লগইন আর নিরাপদ অভ্যাস নিয়ে পথ দেখায়

Rocket বা অন্য স্থানীয় ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন থাকলেও তারা পরিষ্কার করে বলেন

এই টুলগুলো আলাদা করে রাখা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারী চাপের সময়ও দ্রুত ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন

খেলোয়াড়রা কীভাবে অভ্যাস বদলেছেন

রিমাইন্ডার চালু করার পর আমি অনেক শান্ত রাতে মোবাইলে ঘাঁটাঘাঁটি কমে গেছে

সুমন, ঢাকা

স্ব-বর্জনের অপশনটা দরকার ছিল দুই সপ্তাহের বিরতিতে মাথা অনেক হালকা হয়েছে

নাজমা, চট্টগ্রাম
সীমা না থাকলে সহজেই সময় বেরিয়ে যায়
Nagad-এ দেখেই বাজেট মিলিয়ে নিই
বিরতির পরে আবার স্বাভাবিক লাগে

এই অভিজ্ঞতাগুলো একটাই কথা বলে: নিয়ন্ত্রণ আগে, উত্তেজনা পরে

বাংলাদেশের সহায়তা সংস্থা

মানসিক স্বাস্থ্য সাপোর্ট

স্থানীয় কাউন্সেলর বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বললে চাপ কমে ঢাকায় অনেকে এমন সহায়তা আগে থেকেই নেন

পরিবারভিত্তিক সহায়তা

একজন বিশ্বস্ত ভাই, বোন, বা জীবনসঙ্গীকে জানালে হিসাব রাখা সহজ হয় 2 জন মিলে পরিকল্পনা করলে ভুলও কমে

কমিউনিটি হেল্পলাইন

কিছু এনজিও আর কমিউনিটি গ্রুপ ঝুঁকির সময় কথা শোনে প্রথম 1টি ফোন অনেক সময়ই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ

চাপ বেশি লাগলে একা থাকবেন না স্থানীয় সহায়তা আর t2s সাপোর্ট একসঙ্গে অনেক সাহায্য করে

সাহায্য লাগলে কী করবেন

যদি নিজের সীমা ধরে রাখা কঠিন লাগে, এখনই বিরতি নিন তারপর t2s যোগাযোগ পৃষ্ঠা থেকে সহায়তা টিমকে লিখুন, বা t2s লগইন নির্দেশনা দেখে অ্যাকাউন্ট সেটিংস মিলিয়ে নিন

নতুন ব্যবহারকারীরা অনেক সময় আগে t2s Download খোঁজেন, কিন্তু নিরাপদ অভ্যাসটাই আগে হওয়া দরকার তাই t2s App, t2s Login আর t2s Registerসবকিছুর আগে নিজের সীমা ঠিক রাখুন

সহায়তা নিয়ে t2s APK খুলুন
লগ ইন নিবন্ধন